Samsung Galaxy A57 রিভিউ: ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের এই স্মার্টফোনে কি সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে?
Samsung Galaxy A57 রিভিউ: ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের এই স্মার্টফোনে কি সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে?
- Super AMOLED Plus ডিসপ্লে
- Gorilla Glass Victus Plus প্রটেকশন
- 50+12+5MP রেয়ার ক্যামেরা
- Exynos 1680 (4nm) চিপসেট
- ব্যাটারি লাইফ অনেক কম
- স্টিরিও স্পিকার সাপোর্ট নেই
ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের মধ্যে উচ্চ মানের ফিচার নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আনঅফিশিভাবে এসেছে Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোন। ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 4 ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি Exynos 1680 প্রসেসর, যা দৈনন্দিন কাজ, মিড‑গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং‑এ ভালো পারফরম্যান্স প্রদান করে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য ফোনটিতে রয়েছে 5000mAh ব্যাটারি।
Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোনে 120Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থিত Super AMOLED Plus ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে, যা স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশনকে মসৃণ করে, ভিডিও এবং গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে তোলে। এছাড়া ধুলোবালি ও পানি প্রতিরোধের জন্য ফোনটিতে IP68 রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে। জেনে নিন ফোনের পারফরম্যান্স এবং দাম সহ সম্পূর্ণ রিভিউ।
Samsung Galaxy A57 ফোনের শক্তিশালী ফিচারসমূহ
- প্রসেসর: Exynos 1680 (4nm) চিপসেট।
- ডিসপ্লে: 6.7 ইঞ্চির Super AMOLED Plus স্ক্রিন।
- বিল্ড: স্ক্র্যাচ-প্রতিরোধী Gorilla Glass Victus Plus প্রটেকশন।
- ব্যাটারি ও চার্জার: 5000mAh ব্যাটারি এবং 45W ফাস্ট চার্জিং।
- ক্যামেরা: 50+12+5MP রেয়ার এবং 12MP ফ্রন্ট।
- বিল্ড : 6.9mm স্লিম ডিজাইনের বডি।
বাক্সে যা থাকছে
Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোনের বক্স খুললে ভেতরে যেসব জিনিস পাওয়া যায়, তা হলো:
- Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোন
- USB টাইপ-সি ক্যাবল
- সিম ইজেক্টর টুল
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাক্সের মধ্যে Samsung কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র সাজিয়ে রেখেছে। বাক্সে আপনি পাবেন Samsung Galaxy A57 ফোন, USB টাইপ-সি ক্যাবল, সিম ইজেক্টর টুল এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। তবে বাক্সে চার্জার বা প্রোটেক্টিভ কেস নেই, তাই দ্রুত চার্জিং বা ফোনের সুরক্ষার জন্য আলাদাভাবে চার্জার এবং কেস কিনে ব্যবহার করতে হবে।
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোনের ডিজাইন দেখতে প্রিমিয়াম এবং আকর্ষণীয়। ফোনটির উচ্চতা প্রায় 161.5 mm, প্রস্থ 76.8 mm এবং বডি মাত্র 6.9 mm স্লিম। এছাড়া ওজন প্রায় 179 গ্রাম হলেও, এতে পর্যাপ্ত পরিমান ভারসাম্য রাখা হয়েছে। স্লিম ডিজাইনের এই ফোনের বডিতে অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম রয়েছে, তাই হাতে ধরলে হালকা ও আরামদায়ক অনুভূত হয়, ফলে দৈনন্দিন কাজ যেমন কল করা, মেসেজ পাঠানো, ভিডিও দেখা বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা—সবকিছুই সহজ এবং সুবিধাজনকভাবে করা যায়।
ফোনটির সামনে এবং পিছনে মজবুত স্ক্র্যাচ প্রতিরোধী Gorilla Glass Victus Plus প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে। এটি দৈনন্দিন ব্যবহারে ধাক্কা, স্ক্র্যাচ বা ছোটখাটো পড়া‑ঘসা থেকে ভালোভাবে ফোনকে সুরক্ষিত থাকে এবং দেখতে চমৎকার, চকচকে ফিনিশ দেয়। ফোনের ক্যামেরা মডিউলটি পেছনের প্যানেলের সাথে সুন্দরভাবে মিলিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে, যা ফোনের সামগ্রিক লুককে ভারসাম্য রাখে।

ফোনটির চারপাশের কোণগুলো হালকা গোলাকার, তাই হাতে ধরেলে আরামদায়ক লাগে এবং হাত থেকে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে। পাশাপাশি ফোনে IP68 রেটিং দেওয়া হয়েছে। এটি ধুলোবালি প্রতিরোধ করে এবং 1.5 মিটার পানির নিচে 30 মিনিট পর্যন্ত ব্যবহারের সুবিধা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় পানির নিচে রাখা বা উচ্চচাপের পানির প্রবাহ থেকে ফোনকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারে না।
ফোনটিতে Super AMOLED Plus ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্রলিং, ভিডিও দেখা এবং গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও মসৃণ ও প্রাণবন্ত করে তোলে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ফোনটির ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের মধ্যে খুবই উন্নত মনে হয়, যা ব্যবহারকারীর চোখে আকর্ষণীয় দেখায় এবং দৈনন্দিন ব্যবহারে স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
ডিসপ্লে এবং মাল্টিমিডিয়া
Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোনে রয়েছে 6.7 ইঞ্চির Super AMOLED Plus ডিসপ্লে, যা ভিডিও দেখা, ছবি উপভোগ করা বা গেম খেলার সময় স্ক্রিনের রঙকে উজ্জ্বল ও জীবন্তভাবে তুলে ধরে এবং চোখের জন্য আরামদায়ক অনুভূতি দেয়। ফোনটির চারপাশের বেজেল বেশ পাতলা, তাই স্ক্রিনটি দেখতে আরও বড় ও আকর্ষণীয় লাগে। এছাড়া ফোনের স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও 88.8, ফলে ভিডিও বা সিনেমা দেখার সময় ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা আরও স্পষ্ট, উজ্জ্বল এবং চোখে আরামদায়ক হয়।

ফোনটির স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা সর্বোচ্চ 1900 nits নিট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, ফলে বাইরে বা তীব্র রোদেও ভিডিও, ওয়েবপেজসহ বিভিন্ন কনটেন্ট সহজে ও পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। এছাড়া ডিসপ্লেতে 120Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে, যার কারণে স্ক্রলিং, গেম খেলা এবং অ্যানিমেশনগুলো আরও মসৃণ ও দ্রুত অনুভূত হয়। যদিও এই রিফ্রেশ রেট খুব একটা খারাপ নয়, তবে এই বাজেটে আরও ভালো রিফ্রেশ রেট থাকলে ব্যবহারকারীরকে বেশি আকর্ষণ করতো।
ফোনটির স্ক্রিনে FHD+ (1080×2340 পিক্সেল) রেজোলিউশন সাপোর্ট করে, যার ফলে ছবি ও ভিডিও স্পষ্ট এবং পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। গেম খেলার সময় রঙগুলো আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মনে হয়। বড় স্ক্রিন হওয়ায় ব্যবহার করতে আরাম লাগে এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরও চোখে তুলনামূলক কম চাপ পড়ে। এছাড়া ডিসপ্লেতে Gorilla Glass Victus Plus প্রটেকশন রয়েছে, যা স্ক্রিনকে মজবুত করে এবং দৈনন্দিন ছোটখাটো ধাক্কা, স্ক্র্যাচ বা হালকা পড়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি থেকে ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়।
ক্যামেরা
Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোনের রেয়ারে f/1.8 অ্যাপারচারের 50MP প্রাইমারি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে LED ফ্ল্যাশ, HDR এবং বিভিন্ন শুটিং মোড সাপোর্ট করে। এই ক্যামেরাটি ডিটেইল এবং রঙের সঠিক অনুপাতে চমৎকার ছবি তুলতে পারে। সঙ্গে HDR ফিচার থাকায় আলো ও ছায়ার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে, ফলে ছবিগুলো আরও বাস্তবসম্মত এবং আকর্ষণীয় দেখায়।
পাশাপাশি রয়েছে 12MP আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা। এটি ল্যান্ডস্কেপ বা গ্রুপ ছবি তোলার ক্ষেত্রে এটি খুবই কার্যকর, কারণ এক ফ্রেমে বেশি অংশ সহজেই ক্যাপচার করা যায়। সাথে থাকছে 5MP মাইক্রো ক্যামেরা, যার মাধ্যমে খুব কাছ থেকে ছোট ছোট বস্তুর ডিটেইলসহ ছবি তোলা যায়। ফোনের রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে দিনের আলোতে খুব ভালো ছবি তোলা যায় এবং 4K@30fps রেজোলিউশনে ভিডিও রেকর্ড করা যায়। তবে রাতে বা কম আলোতে ছবি তুললে কিছুটা ঝাপসা দেখা দিতে পারে। এছাড়া রাতে ভিডিও করার সময় 4K রেজোলিউশন থাকলেও ভিডিও কোয়ালিটি খুব একটা ভালো মানের হয় না।

ফোনের সামনে রয়েছে f/2.2 অ্যাপারচারের 12MP ফ্রন্ট ক্যামেরা। দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিতে ত্বকের রঙ প্রাকৃতিক দেখায়, পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিষ্কার থাকে এবং রঙগুলো উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হয়। রাতে f/2.2 অ্যাপারচারের কারণে সবসময় ছবিতে পুরোপুরি তীক্ষ্ণতা বা মসৃণতা পাওয়া যায় না। তবে LED ফ্ল্যাশ ব্যবহার করলে রাতেও স্পষ্ট সেলফি তোলা সম্ভব। ভিডিও-এর ক্ষেত্রে, ফ্রন্ট ক্যামেরা 1080p@30fps রেজোলিউশন পর্যন্ত ভিডিও রেকর্ড করতে পারে, যা দৈনন্দিন ভিডিও কল, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট বা ছোট দৈর্ঘ্যের ভিডিও-এর জন্য যথেষ্ট।
সফটওয়্যার এবং পারফরম্যান্স
Samsung Galaxy A57 ফোনটি One UI 8.5 ভিত্তিক Android 16 অপারেটিং সিস্টেমে চলে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ, দ্রুত এবং স্মার্ট ব্যবহার অভিজ্ঞতা দেয়। এতে আছে প্রাইভেসি কন্ট্রোল, দ্রুত সেটিংস অ্যাক্সেস, স্মার্ট উইজেট এবং থিম কাস্টমাইজ করার সুবিধা, যার ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই অ্যাপস নেভিগেট করতে পারে এবং একসাথে একাধিক কাজ করতে পারে। এছাড়া Android 16 নিরাপত্তা ও পারফরম্যান্স উন্নত করেছে, ফলে ব্যাটারি সাশ্রয়ী হয় এবং মসৃণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে Exynos 1680 প্রসেসর। 4 ন্যানোমিটার ফেব্রিকশনে তৈরি এই চিপসের ক্লক স্পীড সর্বোচ্চ 2.9 GHz পর্যন্ত। সাথে রয়েছে উন্নত Xclipse 550 GPU এবং 12GB র্যাম, যা দৈনন্দিন কাজ, মিড‑গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষেত্রে খুব ভালো পারফরম্যান্স প্রদান করে।

সিকিউরিটির জন্য ফোনটিতে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক ফিচার রয়েছে। এছাড়া ফোনে 5G নেটওয়ার্ক, Bluetooth 6.0, USB চার্জিং, Wi-Fi 6 এবং NFC সাপোর্ট করে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের Samsung Galaxy A57 ফোনের সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স মিড-রেঞ্জ ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট ভালো এবং নির্ভরযোগ্য। তবে যারা ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের পারফরম্যান্স বা অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
ব্যাটারি লাইফ এবং চার্জার
Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোনে রয়েছে 5000mAh ব্যাটারি, যা সাধারণ ব্যবহার যেমন কল করা, এসএমএস পাঠানো, ভিডিও দেখা এবং সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করার ক্ষেত্রে ১ দিনের বেশি চলতে পারে। এছাড়া দ্রুত চার্জ করার জন্য ফোনটিতে 45W ফাস্ট চার্জিং দেওয়া হয়েছে। ফোনে USB Type-C 2.0 ক্যাবলের মাধ্যমে চার্জ করা যায়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের Samsung Galaxy A57 ফোনের ব্যাটারি এবং ফাস্ট চার্জিং সুবিধা মাঝারি ব্যবহারকারীদের জন্য সন্তোষজনক। কারণ দৈনন্দিন কাজ যেমন কল, মেসেজ, ভিডিও দেখা বা হালকা গেম খেলার জন্য ব্যাটারি ভালোভাবে টিকে থাকে। তবে যারা দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলেন বা অনলাইনে বেশি কাজ করেন, তাদের জন্য এটি খুব বেশি সুবিধাজনক নাও হতে পারে।
মূল্য
ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের মধ্যে উন্নত মানের ফিচার নিয়ে Samsung Galaxy A57 স্মার্টফোন বাংলাদেশে শুধুমাত্র একটি ভ্যারিয়েন্টে এসেছে। ফোনের (12GB র্যাম+256GB স্টোরেজ) ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬০,০০০ টাকা। ফোনটি আকর্ষণীয় তিনটি কালারে পাওয়া যায় Navy, Icyblue এবং Lila। বর্তমানে এই ফোনটি বাংলাদেশের বিভিন্ন রিটেইলার শপে উপলব্ধ রয়েছে।
Samsung Galaxy A57 আপনার কেনা উচিত হবে কি?
Samsung Galaxy A57 ফোনের Exynos 1680 প্রসেসর ভালো পারফরম্যান্স দেয়, Super AMOLED Plus ডিসপ্লে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে। রেয়ার ক্যামেরা 50+12+5MP দারুণ ছবি তুলতে পারে এবং ভিডিও ধারণ করতে পারে। তবে ব্যাটারি কিছুটা কম ক্ষমতার। তাই আপনি যদি কম সময় ফোন ব্যবহার করেন এবং উন্নত মানের পারফরম্যান্স চান, তাহলে আপনার জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
সোর্স: এখানে ক্লিক করুন
Related Reviews
View More
Oppo Find N6 রিভিউ: ২,৬০,০০০ টাকা দিয়ে এই স্মার্টফোন কেনা উচিত হবে কি?
উচ্চমানের / প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে শক্তিশালী ফিচার নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে এসেছে Oppo Find N6 স্মার...
Nothing Phone (4a) Pro রিভিউ: ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের এই স্মার্টফোনে কেমন পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে?
ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের মধ্যে শক্তিশালী ফিচার নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে এসেছে Nothing Phone (4a) Pro স্মার্ট...
Nothing Phone (4a) রিভিউ: মিড-রেঞ্জ বাজেটে এই স্মার্টফোন কেনা আপনার উচিত হবে কি?
চমৎকার ডিজাইন এবং উন্নত মানের ফিচার নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আনঅফিশিয়ালি এসেছে Nothing Phone (4a) স্মা...