Motorola Edge 70 Pro রিভিউ: ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের ফোনে পারফরম্যান্সের আসল চিত্র
Motorola Edge 70 Pro রিভিউ: ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের ফোনে পারফরম্যান্সের আসল চিত্র
- Extreme AMOLED ডিসপ্লে
- Dimensity 8500 Extreme চিপসেট
- 6500mAh বড় ব্যাটারি
- Corning Gorilla Glass 7i প্রটেকশন
- টেলিফটো লেন্স নেই
- প্লাস্টিক ফ্রেম দেওয়া আছে
মটোরোলা গত কয়েক বছর ধরে তাদের Edge সিরিজের ফোনগুলো আরও উন্নত করার চেষ্টা করছে। সেই ধারাবাহিকতায় তারা বাজারে এনেছে Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোন, যা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ফোনটিতে রয়েছে Mediatek Dimensity 8500 Extreme প্রসেসর। এটি মাল্টিটাস্কিং এবং গেমিংয়ে শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রদান করে।
Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে 144Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থিত Extreme AMOLED ডিসপ্লে, যা খুব স্মুথ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা দেয় এবং স্ক্রলিং বা গেম খেলার সময় দারুণ ফিল পাওয়া যায়। এছাড়া দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য ফোনটিতে রয়েছে 6500mAh বড় ব্যাটারি। ফোনের পারফরম্যান্স এবং দাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ রিভিউ দেখুন।
Motorola Edge 70 Pro ফোনের শক্তিশালী ফিচারসমূহ
- প্রসেসর: Mediatek Dimensity 8500 Extreme (4nm) চিপসেট।
- ডিসপ্লে: 6.8 ইঞ্চি Extreme AMOLED স্ক্রিন এবং 144Hz রিফ্রেশ রেট।
- ব্যাটারি ও চার্জার: 6500mAh বড় ব্যাটারি এবং 90W ফাস্ট চার্জিং ও 15W ওয়্যারলেস চার্জিং।
- ক্যামেরা: 50+50MP রেয়ার এবং 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা।
- বিল্ড: মজবুত ও স্ক্র্যাচ-প্রতিরোধী Corning Gorilla Glass 7i প্রটেকশন।
খারাপ দিক
বাক্সে যা থাকছে
Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনের বাক্স খুললে ভেতরে যেসব জিনিস পাওয়া যায়, সেগুলো হলো:
- Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোন
- 90W ফাস্ট চার্জার
- USB টাইপ-সি ক্যাবল
- প্রোটেকটিভ কেস
- সিম ইজেক্টর টুল
- ইউজার ম্যানুয়াল
বাক্সের মধ্যে রয়েছে Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোন, 90W ফাস্ট চার্জার, USB Type-C ক্যাবল, সিম ইজেক্টর টুল, ইউজার ম্যানুয়াল ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট। পাশাপাশি ফোন সুরক্ষার জন্য একটি কভারও পাওয়া যায়। বর্তমান সময়ে অনেক ব্র্যান্ড যেখানে ফোনের বাক্সে চার্জার বা কেস বাদ দিচ্ছে, সেখানে মটোরোলা সবকিছুই দিচ্ছে—যা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ভালো দিক।
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোন প্রথমে হাতে নিলেই যেটা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে, সেটা হলো এর প্রিমিয়াম ডিজাইন ও স্লিম বডি। ফোনের পিছনের প্যানেল সাধারণত গ্লাস বা ইকো-লেদার ফিনিশ দিয়ে তৈরি, যা দেখতে খুবই স্টাইলিশ এবং হাতে ধরতেও আরামদায়ক।
ফোনটির চারপাশের ফ্রেমে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে, তাই ফোনটি হালকা ও টেকসই। এছাড়া হাতে নিলে বুঝা যায়, ফোনটি শুধু দেখতে সুন্দর নয়, বরং মজবুতও।
ফোনের উচ্চতা 162.7 mm, প্রস্থ 75.6 mm এবং থিকনেস 6.99mm স্লিম। এছাড়া ফোনের ওজন মাত্র 190 গ্রাম হলেও, ফোনটি ভারসাম্যপূর্ণভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। স্লিম ডিজাইন এবং হালকা ওজনের কারণে ফোনটি দীর্ঘ সময় হাতে ধরে ব্যবহার করলেও ভারী বা অস্বস্তিকর মনে হয় না, ফলে দৈনন্দিন কাজ যেমন কলে কথা বলা, ভিডিও দেখা এবং গেম খেলার সময় আরামদায়ক অনুভূতি পাওয়া যায়।

ফোনটিতে যুক্ত আছে Corning Gorilla Glass 7i স্ক্রিন প্রটেকশন, যা স্ক্রিনকে স্ক্র্যাচ ও হালকা আঘাত থেকে ভালোভাবে রক্ষা করে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারে ফোনকে বেশি টেকসই করে তোলে। ফোনটির পিছনের বাম পাশে স্কয়ার আকৃতির ক্যামেরা আইল্যান্ড রয়েছে, যেখানে ক্যামেরাগুলো সুন্দরভাবে সাজানো আছে। মডিউলটি বডির সাথে বেশি উঁচু না হয়ে একটু মিশে থাকায় দেখতে পরিষ্কার ও আকর্ষণীয় লাগে।
ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে Extreme AMOLED ডিসপ্লে, যা খুবই উজ্জ্বল রং দেখায় এবং ছবি বা ভিডিও দেখার সময় দারুণ ক্লিয়ার ও স্মুথ অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে IP68/IP69 রেটিং। এটি দৈনন্দিন ব্যবহারে ফোনকে ধুলোবালি থেকে সুরক্ষিত রাখে এবং 1.5 মিটার পানির নিচে 30 মিনিট পর্যন্ত ব্যবহারের সুবিধা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা বা পানির নিচে ব্যবহার করার জন্য ফোনটি উপযুক্ত নয়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনটি দেখতে যেমন প্রিমিয়াম, তেমনি ব্যবহারেও আরামদায়ক এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য একটি ভালো স্মার্টফোন হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
ডিসপ্লে এবং মাল্টিমিডিয়া
Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনে 6.8 ইঞ্চির Extreme AMOLED ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। ডিসপ্লেটির চারপাশে খুব পাতলা বেজেল, তাই স্ক্রিনটা আরও বড় মনে হয়, ফলে ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। এছাড়া স্ক্রিনে 144Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে, যার কারণে স্ক্রল করা, অ্যাপ ব্যবহার করা বা অ্যানিমেশন দেখা অনেক বেশি স্মুথ ও দ্রুত লাগে।

ফোনটির স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও 96.80%, ফলে ভিডিও বা সিনেমা দেখার সময় ছবি আরও বড়, প্রাকৃতিক ও স্পষ্ট লাগে। এছাড়া স্ক্রিনটি 5200 nits পিক ব্রাইটনেস পর্যন্ত উজ্জ্বল হতে পারে, তাই বাইরে বা তীব্র রোদেও ছবি, ভিডিও বা ওয়েবপেজ পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। স্ক্রিনে Corning Gorilla Glass 7i প্রটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্র্যাচ ও হালকা আঘাত থেকে ফোনকে ভালোভাবে রক্ষা করে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারে টেকসই রাখে।
ফোনের স্ক্রিনের রেজোলিউশন FHD+ (1272×2772 পিক্সেল), তাই ছবি ও ভিডিও খুবই পরিষ্কার ও স্পষ্ট দেখা যায়। গেম খেলার সময় রংগুলো আরও উজ্জ্বল ও জীবন্ত লাগে এবং ব্যবহার করার অভিজ্ঞতাকে আরও চমৎকার করে তোলে। এছাড়া বড় স্ক্রিন হওয়ায় ফোনটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলেও চোখে তুলনামূলক কম চাপ পড়ে এবং আরাম পাওয়া যায়।
ক্যামেরা
Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনের রেয়ারে 50MP Sony LYTIA 710 প্রাইমারি ক্যামেরা রয়েছে, যার সাথে LED ফ্ল্যাশ, HDR এবং OIS ফিচার আছে। এই লেন্সে বেশি আলো প্রবেশ করতে পারে, তাই কম আলোর পরিবেশেও তুলনামূলক ভালো ছবি তোলা যায়। পাশাপাশি HDR ফিচার আলো‑ছায়ার ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে, ফলে ছবি আরও প্রাকৃতিক দেখায় এবং OIS ফিচারের সাহায্যে হাত নড়াচড়া করে ভিডিও করলেও তা স্মুথভাবে ধারণ হয়।
পাশাপাশি যুক্ত আছে 50MP আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা, যা দিয়ে একসাথে অনেক বড় জায়গার ছবি তোলা যায়, ফলে ল্যান্ডস্কেপ, গ্রুপ ফটো বা বড় দৃশ্য খুব সহজে ও পরিষ্কারভাবে ক্যাপচার করা সম্ভব হয়। এই ক্যামেরাতে আছে AI Photo Enhancement ফিচার, ফলে ছবি তোলার পর অটোমেটিকভাবে রং ও ডিটেইল ঠিক হয় এবং ছবি আরও সুন্দর পাওয়া যায়।

ফোনটির রেয়ার ক্যামেরা দিয়ে 4K@60fps রেজোলিউশনে ভিডিও রেকর্ড করা যায়। দিনের আলোতে ভিডিও করলে ছবি খুবই পরিষ্কার, উজ্জ্বল এবং ন্যাচারাল রঙের হয়। দূরের জিনিসও ভালোভাবে বোঝা যায় এবং ডিটেইলস স্পষ্ট থাকে। এছাড়া রাতে ভালো আলো থাকলে ভিডিও মোটামুটি ভালো হয়, তবে কম আলোতে কিছুটা ঝাপসা বা ডিটেইল কমে যেতে পারে।
ফোনের সামনে আছে 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা। দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে পরিষ্কার ও ডিটেইলসহ ভালো সেলফি তোলা যায়। ভালো আলো থাকলে ছবির রংও ন্যাচারাল থাকে এবং মুখের ডিটেইল ঠিকভাবে আসে। তবে খুব কম আলোতে ছবি তুললে কিছুটা ঝাপসা দেখা যেতে পারে। এছাড়া ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে 4K@30fps রেজোলিউশনে ভিডিও রেকর্ড করা যায়, যা ভ্লগিং বা দৈনন্দিন কনটেন্ট বানানোর জন্য উপযুক্ত।
সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স
Motorola Edge 70 Pro ফোনটি Android 16 অপারেটিং সিস্টেমে চলে। এই সফটওয়্যারটি খুব স্মুথ এবং দ্রুত কাজ করে, তাই ফোন ব্যবহার করার সময় কোনো ল্যাগ বা ধীরগতির সমস্যা হয় না। এছাড়া Android 16 –তে নতুন ডিজাইন, ভালো সিকিউরিটি এবং উন্নত প্রাইভেসি ফিচার রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর তথ্যকে নিরাপদ রাখে এবং অ্যাপ চালানো, মাল্টিটাস্কিং ও নেভিগেশন অনেক সহজ ও দ্রুত করা যায়।

ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে Mediatek Dimensity 8500 Extreme প্রসেসর। 4 ন্যানোমিটার ফেব্রিকশনে তৈরি এই চিপসের ক্লক স্পীড সর্বোচ্চ 3.4 GHz পর্যন্ত। সাথে আছে GPU Mali-G720 MC8 এবং 12GB র্যাম, যার ফলে হাই-গ্রাফিক্সে গেম খেলা, মাল্টিটাস্কিং বা ভারী অ্যাপ ব্যবহারের সময় ফোনটি স্মুথভাবে কাজ করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে হেভি গেম খেললে ফোন কিছুটা গরম হতে পারে।
সিকিউরিটির জন্য ফোনটিতে রয়েছে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক ফিচার। এছাড়া কানেক্টিভিটির জন্য এই ফোনে Wi-Fi 6, Bluetooth 5.4, 5G নেটওয়ার্ক, USB চার্জিং এবং NFC সাপোর্ট করে।
ব্যাটারি লাইফ এবং চার্জার
Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনে 6500mAh বড় ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। ফোনটির ব্যাটারি লাইফ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, 100% চার্জে হাই-গ্রাফিক্সে Free Fire গেম প্রায় ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় খেলা যায়। আর সাধারণ ব্যবহার যেমন কল করা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বা হালকা গেম খেলার ক্ষেত্রে ফোনটি প্রায় ১.৫ দিনের বেশি চলতে পারে।

ফোনটিতে যুক্ত আছে 90W ফাস্ট চার্জিং, যা ফোনকে দ্রুত চার্জ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি রয়েছে 15W ওয়্যারলেস চার্জিং, ফলে তার না লাগিয়েও সহজে চার্জ দেওয়া যায় এবং ব্যবহার আরও সুবিধাজনক হয়। ফোনটিতে USB Type-C 2.0 পোর্টের মাধ্যমে চার্জ করা যায়।
বাংলাদেশে মূল্য
ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের মধ্যে শক্তিশালী ফিচার নিয়ে Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোন বাংলাদেশে আনঅফিশিয়ালি শুধুমাত্র একটি ভ্যারিয়েন্টে এসেছে। ফোনের (12GB র্যাম+256GB স্টোরেজ) ভ্যারিয়েন্টের দাম ৫৭,৫০০ টাকা। ফোনটি আকর্ষণীয় তিনটি কালারে রয়েছে Lily, White Titan এবং Tea। বর্তমানে এই ফোন বাংলাদেশের বিভিন্ন রিটেইলার শপ বা দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।
Motorola Edge 70 Pro আপনার কেনা উচিত হবে কি?
Motorola Edge 70 Pro একটি ফ্ল্যাগশিপ বাজেটের ফোন। ফোনটির ডিজাইন, পারফরম্যান্স, ব্যাটারি এবং সফটওয়্যার—সবকিছুতেই ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। ফোনটিতে 144Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থিত Extreme AMOLED ডিসপ্লে, Dimensity 8500 Extreme চিপসেট এবং ডুয়াল 50MP রেয়ার ক্যামেরা আছে, যা গেম খেলা ও দৈনন্দিন ব্যবহার দুটোর জন্যই ভালো কাজ করে। তবে ফোনে টেলিফটো ক্যামেরা নেই এবং ফ্রেমটি প্লাস্টিকের হওয়ায় পুরো ফ্ল্যাগশিপ ফিল পাওয়া যায় না। তারপরও ফোনটি ব্যবহার করা খুবই স্মুথ, আরামদায়ক এবং নির্ভরযোগ্য। যারা হালকা ও দ্রুত পারফরম্যান্সের ফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।
Related Reviews
View More
Realme C100i রিভিউ: বাজেট ফ্রেন্ডলির এই ফোন কেমন পারফরম্যান্স দিচ্ছে?
বাজেট স্মার্টফোনের বাজারে Realme সবসময়ই একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড। এবার সেই বাজেট রেঞ্জ অনুসরণ করেই Re...
Vivo T5 Pro রিভিউ: মিড রেঞ্জ বাজেটের ফোনে পারফরম্যান্স কতটা শক্তিশালী?
মিড রেঞ্জ বাজেটের মধ্যে বাংলাদেশের বাজারে আনঅফিশিয়ালি এসেছে Vivo T5 Pro স্মার্টফোন। ফোনটিতে রয়েছে Qu...
৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ৫টি ক্যামেরা ফোন ২০২৬
আপনি কি ছবি তুলতে বা ভ্লগ ভিডিও বানাতে ভালোবাসেন, কিন্তু বাজেটের কারণে ভালো ক্যামেরা ফোন খুঁজে পাচ্ছ...