Samsung Galaxy S26 Ultra রিভিউ: প্রিমিয়াম বাজেটে সত্যিই কি সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া যায়?
Samsung Galaxy S26 Ultra রিভিউ: প্রিমিয়াম বাজেটে সত্যিই কি সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া যায়?
- Dynamic LTPO AMOLED 2X স্ক্রিন
- 200+10+50+50MP রেয়ার ক্যামেরা
- Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর
- Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর
- Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর
জনপ্রিয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোন গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিশ্ববাজারে লঞ্চ করেছে। প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে যারা শক্তিশালী পারফরম্যান্স, উন্নত ক্যামেরা এবং দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ চান, তাদের কথা মাথাই রেখে ফোনটি তৈরি। ফোনটিতে রয়েছে 200MP রেয়ার ক্যামেরা, যা খুব সহজেই ফটোগ্রাফারদের নজর কাড়ে।
Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর। এটি দৈনন্দিন কাজ, মাল্টিটাস্কিং ও হাই‑এন্ড গেমিং‑এ শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রদান করে। এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে উন্নত মানের 6.9 ইঞ্চির Dynamic LTPO AMOLED 2X ডিসপ্লে। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক ফোনটির পারফরম্যান্স এবং দাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
Samsung Galaxy S26 Ultra ফোনের শক্তিশালী ফিচারসমূহ
- প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট।
- ডিসপ্লে: 6.9 ইঞ্চি Dynamic LTPO AMOLED 2X স্ক্রিন।
- ব্যাটারি ও চার্জার: 5000mAh ব্যাটারি এবং 60W ফাস্ট চার্জিং।
- ক্যামেরা: 200+10+50+50MP রেয়ার ক্যামেরা এবং 12MP ফ্রন্ট ক্যামেরা।
- বিল্ড : 7.9mm স্লিম ডিজাইনের বডি।
বাক্সে যা থাকছে
Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোনের বাক্স খুললে ভেতরে যেসব জিনিস পাওয়া যায় সেগুলো হলো:
- Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোন
- USB টাইপ-সি ক্যাবল
- সিম ইজেক্টর টুল
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাক্সের মধ্যে Samsung কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র সাজিয়ে রেখেছে। বাক্সে আপনি পাবেন Samsung Galaxy S26 Ultra ফোন, USB টাইপ-সি ক্যাবল, সিম ইজেক্টর টুল এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। বাক্সে চার্জার বা প্রোটেক্টিভ কেস নেই, তাই দ্রুত চার্জিং বা ফোন সুরক্ষার জন্য চার্জার এবং কেস আলাদাভাবে কিনে ব্যবহার করতে হয়।
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Samsung Galaxy S26 Ultra ফোনটির ডিজাইন খুবই প্রিমিয়াম ও আকর্ষণীয়। ফোনের উচ্চতা 163.6 mm, প্রস্থ 78.1 mm এবং থিকনেস 7.9 mm। এছাড়া ফোনের ওজন 214 গ্রাম হলেও ফোনটি স্লিমভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। তাই দীর্ঘ সময় হাতে ধরে ব্যবহার করলেও ভারী বা অস্বস্তিকর মনে না হয়, ফলে দৈনন্দিন কাজ, ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় আরামদায়ক অনুভূতি পাওয়া যায়।
ফোনটির বডি মূলত শক্তিশালী আর্মার অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম দিয়ে তৈরি। ফোনের দুই পাশে মজবুত কাঁচ দেওয়া আছে, যা দেখতে প্রিমিয়াম লাগে এবং হাতে ধরতেও আরামদায়ক। ফ্রেম ও কাঁচ একসঙ্গে ফোনকে মজবুত ও টেকসই করে, ফলে দৈনন্দিন ব্যবহারে ফোন আরও নিরাপদ থাকে। এছাড়া ফোনের সামনে রয়েছে Corning Gorilla Armor 2 স্ক্রিন প্রোটেকশন। এটি স্ক্র্যাচ, পড়ে যাওয়া ও ধাক্কা থেকে ফোনকে সুরক্ষা দেয়।

ফোনের স্ক্রিনের চারপাশের বেজেল খুবই পাতলা, তাই পুরো ডিসপ্লে ব্যবহার করা যায় এবং ভিডিও দেখা, ছবি দেখা বা গেম খেলা আরও সুবিধাজনক হয়। পাতলা বেজেল থাকায় ফোনটি দেখতে আধুনিক ও স্টাইলিশ লাগে, হাতে ধরেও সহজে ব্যবহার করা যায় এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাও আরও আনন্দদায়ক হয়।
ক্যামেরা মডিউল ফোনের পিছনের অংশে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে, যা মজবুত কাঁচ এবং হালকা উঁচু বেজেল দিয়ে সুরক্ষিত রাখা আছে, যাতে দৈনন্দিন ব্যবহার বা ছোটোখাটো ধাক্কায় ক্ষতি না হয়। পাশাপাশি ফোনটিতে রয়েছে IP68 রেটিং। এটি ধুলোবালি প্রতিরোধ করে এবং 1.5 মিটার পানির নিচে 30 মিনিট ব্যবহারের সুবিধা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় বা চাপযুক্ত পানির মধ্যে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, Samsung Galaxy S26 Ultra ফোনের ডিজাইন অনেকটা S25 Ultra-এর মতোই, তাই অনেক ব্যবহারকারীদের কাছে এটি খুব আকর্ষণীয় নাও লাগতে পারে। এছাড়া আগের S25 Ultra ফোনে টাইটেনিয়াম ফ্রেম থাকায় ফোনটি প্রিমিয়াম ও টেকসই মনে হতো, কিন্তু S26 Ultra ফোনে টাইটেনিয়াম ফ্রেমের পরিবর্তে সাধারণ অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা অনেকের কাছে প্রিমিয়াম মনে হয় না।
ডিসপ্লে এবং মাল্টিমিডিয়া
Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোনে 6.9 ইঞ্চির Dynamic LTPO AMOLED 2X ডিসপ্লে রয়েছে, যা ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় স্ক্রিনের রঙ প্রাণবন্ত দেখায় এবং চোখে আরামদায়ক লাগে। পাতলা বেজেল দিয়ে তৈরি স্ক্রিনটি দেখতে অনেক বড় এবং আকর্ষণীয় মনে হয়। এর স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও 90.7%। এটি ফোনের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতাকে আরও প্রিমিয়াম ও স্মুথ করে তোলে।
ফোনের ডিসপ্লে সর্বোচ্চ 2600 নিট পিক ব্রাইটনেস পর্যন্ত উজ্জ্বল হতে পারে, ফলে বাইরে বা তীব্র রোদেও স্ক্রিন পরিষ্কার দেখা যায় এবং রোদে ভিডিও দেখা বা ওয়েব ব্রাউজ করাও বেশ আরামদায়ক হয়। ডিসপ্লেতে সর্বোচ্চ 120Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে, তাই স্ক্রলিং, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বা গেম খেলার সময় সবকিছু খুব মসৃণ ও দ্রুত মনে হয়। এছাড়া ফোনটিতে মজবুত এবং স্ক্র্যাচ-প্রতিরোধী Corning Gorilla Armor 2 স্ক্রিন প্রটেকশন রয়েছে। এটি দৈনন্দিন ব্যবহারের সময় পড়ে যাওয়া বা ক্ষতির হাত থেকে স্ক্রিনকে ভালোভাবে রক্ষা করে।

ফোনের স্ক্রিনে QHD+ (1440x3120 পিক্সেল) রেজোলিউশন সাপোর্ট করে, ফলে ছবি বা ভিডিও-এর ছোট ছোট অংশ, রঙের ভ্যারিয়েশন এবং টেক্সচার ভালোভাবে দেখা যায়। প্রিমিয়াম বাজেটে এই রেজোলিউশন বেশ শক্তিশালী, যা চোখের ওপর চাপ কমায় এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহার আরামদায়ক করে তোলে। এছাড়া ফোনটির পিক্সেল ডেনসিটি 500 ppi, তাই স্ক্রিনে লেখা ও ছবি দেখতে অনেক স্পষ্ট ও পরিষ্কার মনে হয়।
ক্যামেরা
Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোনের রেয়ারে অ্যাম্বিয়েন্ট আইল্যান্ড ডিজাইনে চমৎকার কোয়াড-ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে, যেখানে রয়েছে f/1.4 অ্যাপারচারের 200MP প্রাইমারি ক্যামেরা। আগের S25 Ultra ফোনের ক্যামেরার তুলনায় এই ক্যামেরা ৪৭% বেশি আলো ধরতে পারে। তাই অন্ধকার জায়গায়, যেমন কনসার্ট বা রাতে ডিনারে, ফ্ল্যাশ ব্যবহার না করেও আপনি উজ্জ্বল, পরিষ্কার আর সুন্দর রঙের ছবি তুলতে পারবেন।
সাথে থাকছে 5x অপটিক্যাল জুম সমর্থিত f/2.9 অ্যাপারচারের 50MP পেরিস্কোপ টেলিফোটো ক্যামেরা এবং 3x অপটিক্যাল জুম সাপোর্টেড f/2.4 অ্যাপারচারের 10MP টেলিফোটো ক্যামেরা, যার মাধ্যমে আপনি দূরের জিনিসও খুব কাছ থেকে স্পষ্টভাবে দেখতে ও ছবি তুলতে পারবেন। ছবি তোলার সময় মূল বিষয়টি পরিষ্কার থাকে, আর পেছনের অংশ সুন্দরভাবে ঝাপসা হয়, ফলে ছবি অনেক প্রফেশনাল ও প্রাকৃতিক দেখায়।
ফোনটিতে f/2.2 অ্যাপারচারের 50MP আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা রয়েছে। এটি চওড়া দৃশ্য বা ল্যান্ডস্কেপ ছবি তোলার জন্য উপযুক্ত। বড় গ্রুপ ছবি বা বিস্তৃত জায়গাও সহজে ক্যাপচার করা যায়। ছবিগুলোতে ডিটেলস এবং প্রাকৃতিক রঙ ভালো থাকে, ফলে ছবি স্পষ্ট ও সুন্দর হয়।

রেয়ার ক্যামেরা দিয়ে 8K@24/30fps এবং 4K@30/60/120fps রেজোলিউশনে ভিডিও রেকর্ড করা যায়। দিনে AI এবং HDR10+ ফিচারের সাহায্যে ভিডিও-এর রঙগুলো সুন্দর এবং আকাশ স্পষ্ট দেখা যায়, ফলে ভিডিও অনেক প্রাণবন্ত ও তীক্ষ্ণ হয়। আর রাতে নাইটোগ্রাফি ভিডিও মোড এবং বড় সেন্সরের কারণে কম আলোতেও ভিডিও উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। পাশাপাশি এতে রয়েছে হরাইজন লক ও স্টেবিলাইজেশন ফিচার, যার কারণে ফোন ঘুরলে বা ঝাঁকুনি দিলেও ভিডিও স্থির এবং মসৃণভাবে ধারণ হয়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, রেয়ার ক্যামেরা চমৎকার ছবি তোলা বা প্রফেশনাল মানের ভিডিও ধারণ করার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে। তবে খুব বেশি জুম ব্যবহার করলে ছবি কিছুটা ঝাপসা হতে পারে, কারণ AI যখন নিজ থেকে রঙ বা কনট্রাস্ট বাড়ায়, তখন ছবি পুরোপুরি স্বাভাবিক নাও লাগতে পারে।
ফোনের সামনে ব্যবহার করা হয়েছে f/2.2 অ্যাপারচারের 12MP ফ্রন্ট ক্যামেরা। দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুললে ত্বকের টোন প্রাকৃতিক থাকে, পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিষ্কার হয় এবং রঙগুলো উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত দেখায়। পাশাপাশি HDR সাপোর্ট থাকায় আলো‑ছায়ার ভারসাম্য ঠিক থাকে, ফলে ছবি খুব উজ্জ্বল বা পরিস্কার হয়।
রাতে f/2.2 অ্যাপারচার কিছুটা আলো ধরে রাখে, তাই ছবিতে সব সময় পুরোপুরি তীক্ষ্ণতা বা মসৃণতা নাও থাকতে পারে। তবে LED ফ্ল্যাশ ব্যবহার করলে রাতেও স্পষ্ট সেলফি তুলা যায়।
ভিডিও-এর ক্ষেত্রে, ফ্রন্ট ক্যামেরা 1080p@30fps রেজোলিউশন পর্যন্ত ভিডিও রেকর্ড করতে পারে, যা দৈনন্দিন ভিডিও কল, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট বা স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও-এর জন্য যথেষ্ট।
সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স
Samsung Galaxy S26 Ultra ফোনটি One UI 8.5 ভিত্তিক Android 16 অপারেটিং সিস্টেমে চলে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ, দ্রুত এবং স্মার্ট অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এতে প্রাইভেসি কন্ট্রোল, দ্রুত সেটিংস অ্যাক্সেস, স্মার্ট উইজেট এবং থিম কাস্টমাইজ করার সুবিধা রয়েছে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই অ্যাপস নেভিগেট করতে পারেন এবং একাধিক কাজ একসাথে করতে পারেন। এছাড়াও Android 16-এর নিরাপত্তা ও পারফরম্যান্স উন্নত করা হয়েছে, ফলে ব্যাটারি সাশ্রয়ী হয় এবং মসৃণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।

ফোনটিতে Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর দেওয়া হয়েছে। 3 ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এই চিপসের ক্লক স্পীড 3.62 GHz থেকে 4.74 GHz পর্যন্ত। এটি হাই-এন্ড গেম খেলা, একসাথে একাধিক কাজ করা এবং ভারী অ্যাপ চালানোর জন্য বেশ উপযুক্ত। প্রসেসরটি কম শক্তি ব্যবহার করে, ফলে ব্যাটারি দীর্ঘ সময় চলতে পারে। এছাড়া ফোনটিতে উন্নত Adreno 830 GPU ও AI ফিচার রয়েছে, যা ফোন ব্যবহারকে আরও মসৃণ ও স্মার্ট করে।
ফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে Galaxy Al ফিচার, যা গেম খেলা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজ—সবকিছুই আরও সহজ, দ্রুত ও আরামদায়কভাবে করা যায়। সিকিউরিটির জন্য ফোনটিতে রয়েছে আল্ট্রাসনিক ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক। এছাড়া কানেক্টিভিটির জন্য ফোনে 5G নেটওয়ার্ক, Wi-Fi 7, USB চার্জিং, Bluetooth 6.0 ও NFC সাপোর্ট করে।
ব্যাটারি লাইফ এবং চার্জার
Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোনে 5000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দেয়। কোম্পানি দাবি করেছে, ফোনে 100% চার্জ করলে প্রায় 31 ঘণ্টা অফলাইন ভিডিও দেখা যাবে। তবে বাস্তবে আমি ফোনটিতে ফুল চার্জ করে প্রায় ৬ ঘণ্টা গেম খেলেছি আর সাধারণ ব্যবহারে ফোনটি প্রায় ১ দিনের বেশি চলেছে।

ফোনটিতে 80W ফাস্ট চার্জিং দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে ফোনে মাত্র ৩০ মিনিটে ১% থেকে ৭৫% পর্যন্ত চার্জ করা সম্ভব হয়। সাথে রয়েছে 25W ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা। এটি কেবল ছাড়াই ফোনকে দ্রুত চার্জ করতে সাহায্য করে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ফোনের ব্যাটারি এবং দুই ধরনের চার্জিং সুবিধার জন্য ব্যবহারকারী দীর্ঘ সময় ফোন চালাতে পারে, বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং ফোনটি দৈনন্দিন কাজের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক হয়ে ওঠে।
মূল্য
প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে শক্তিশালী ফিচার নিয়ে Samsung Galaxy S26 Ultra স্মার্টফোন বিশ্ববাজারে লঞ্চ হয়েছে। ফোনটি বাংলাদেশে দুইটি ভ্যারিয়েন্টে এসেছে। ফোনের (12GB র্যাম+256GB স্টোরেজ) -এর দাম ১,৬৫,০০০ টাকা এবং (12GB র্যাম+512GB স্টোরেজ) ভ্যারিয়েন্টের দাম ১,৯৩,০০০ টাকা। ফোনটি ছয়টি কালারে রয়েছে Cobalt Violet, Sky Blue, Black, White, Silver Shadow এবং Pink Gold। বর্তমানে এই ফোন বাংলাদেশের রিটেইলার শপে পাওয়া যাচ্ছে।
Samsung Galaxy S26 Ultra কেনা উচিত হবে কি?
Samsung Galaxy S26 Ultra ফোনে Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যা দ্রুত এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেয়। ফোনের Dynamic LTPO AMOLED 2X 2K ডিসপ্লে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে। রেয়ার ক্যামেরা 200MP + 50MP + 50MP + 10MP দারুণ ছবি তুলতে পারে এবং ভিডিও ধারণ করতে পারে। ফ্রন্ট ক্যামেরা 12MP হলেও ভালো ছবি দিতে পারে। এছাড়া ব্যাটারি কিছুটা কম ক্ষমতার, তবে সব মিলিয়ে ফোনের পারফরম্যান্স এবং ক্যামেরা কোয়ালিটি অসাধারণ। যারা কম সময় ফোন ব্যবহার করবেন কিন্তু শক্তিশালী পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
Related Reviews
View More
Tecno Camon 50 রিভিউ: মিড-রেঞ্জ বাজেটের মধ্যে সত্যিই কি এই ফোন শক্তিশালী পারফরম্যান্স দিতে পারে?
বাংলাদেশের বাজারে মিড-রেঞ্জ বাজেটের মধ্যে উন্নত মানের ফিচার নিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে লঞ্চ হয়েছ...
ZTE nubia V80 Design রিভিউ: বাজেট‑ফ্রেন্ডলি এই ফোনে কেমন পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে?
আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং উন্নত ফিচারসহ বাজেট‑ফ্রেন্ডলি ZTE Nubia V80 Design স্মার্টফোনটি ২২ ফেব্রুয়ারি ২০...
ZTE nubia V80 Max রিভিউ: বাজেট‑ফ্রেন্ডলি ফোনে 6000mAh বড় ব্যাটারি এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স
বাজেট‑ফ্রেন্ডলির মধ্যে উন্নত ফিচার নিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়ালি লঞ্চ হ...