Oppo Find X9 Ultra রিভিউ: প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে এই ফোনের পারফরম্যান্স কতটা শক্তিশালী?
Oppo Find X9 Ultra রিভিউ: প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে এই ফোনের পারফরম্যান্স কতটা শক্তিশালী?
- 144Hz রিফ্রেশ রেট
- 200+200+50+50+3.2MP রেয়ার ক্যামেরা
- Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর
- 7050mAh বড় এবং 100W ফাস্ট চার্জিং
- ওজন অনেক বেশি 236 গ্রাম
- 3.5mm হেডফোন জ্যাক নেই
প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে স্টাইলিশ লুক এবং শক্তিশালী ফিচার নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আনঅফিশিয়ালভাবে এসেছে Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোন। ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 144Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থিত AMOLED ডিসপ্লে, যা স্ক্রলিং, গেমিং এবং ভিডিও দেখার সময় খুব স্মুথ ও চোখে আরামদায়ক অভিজ্ঞতা প্রদান করে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য এই ফোনে রয়েছে 7050 mAh বড় ব্যাটারি।
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনে 200MP রেয়ার ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, যা খুব সহজেই ফটোগ্রাফারদের নজর কাড়ে। এছাড়া ধুলোবালি ও পানি প্রতিরোধের জন্য ফোনটিতে রয়েছে IP68/IP69 রেটিং। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক ফোনটির ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি, ক্যামেরা, পারফরম্যান্স, ব্যাটারি এবং দাম সম্পর্কে রিভিউ।
Oppo Find X9 Ultra ফোনের শক্তিশালী ফিচারসমূহ
- প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 8 Elite Gen 5 (3nm) চিপসেট।
- ডিসপ্লে: 6.82 ইঞ্চি AMOLED স্ক্রিন এবং 144Hz রিফ্রেশ রেট।
- ব্যাটারি ও চার্জার: 7050mAh বড় ব্যাটারি এবং 100W ফাস্ট চার্জিং ও 50W ওয়্যারলেস চার্জিং।
- ক্যামেরা: 200+200+50+50+3.2MP রেয়ার এবং 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা।
- বিল্ড : Corning Gorilla Glass Victus 2 স্ক্রিন প্রটেকশন।
বাক্সে যা থাকছে
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনের বাক্স খুললে ভেতরে যেসব জিনিস পাওয়া যায় সেগুলো হলো:
- Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোন
- USB টাইপ-সি ক্যাবল
- সিম ইজেক্টর টুল
- ইউজার ম্যানুয়াল
বাক্সের মধ্যে Oppo ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সুন্দরভাবে সাজিয়েছে। বাক্সে আপনি পাবেন একটি Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোন, USB Type-C কেবল, সিম ইজেক্টর টুল এবং ইউজার ম্যানুয়াল। তবে বাক্সে চার্জার বা প্রোটেক্টিভ কেস দেওয়া নেই, তাই দ্রুত চার্জিং সুবিধা ও ফোন সুরক্ষার জন্য এগুলো আলাদাভাবে কিনে ব্যবহার করতে হবে।
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনটির ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি একদম প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের। ফোনটির সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো অংশ হলো বড় আকারের সার্কুলার ক্যামেরা মডিউল, যা ফোনটিকে একটি আলাদা ও প্রিমিয়াম পরিচিতি দেয়। ক্যামেরা সেটআপটি শুধু ফিচারেই শক্তিশালী নয়, ডিজাইনের দিক থেকেও এটি ফোনের লুককে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
ফোনটির উচ্চতা 163.16 mm, প্রস্থ 76.97 mm এবং থিকনেস 8.65 mm (Canyon Orange) ও 9.10 mm (Tundra Umber)। এছাড়া ফোনের ওজন 235 গ্রাম (Canyon Orange) এবং 236 গ্রাম (Tundra Umber)। ফোনের পিছনের অংশে ভেগান লেদার এবং গ্লাস একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে, যা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, ব্যবহার করতেও তেমন আরামদায়ক। তবে ওজন কিছুটা বেশি হওয়ায় দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে কিছু ব্যবহারকারীর কাছে ফোনটি ভারী মনে হতে পারে।

ফোনটির স্ক্রিনের চারপাশে খুবই পাতলা বেজেল ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে পুরো ডিসপ্লে জুড়ে ভালোভাবে কনটেন্ট দেখা যায়, ফলে ভিডিও দেখা, ছবি দেখা কিংবা গেম খেলার অভিজ্ঞতা আরও বেশি আরামদায়ক হয়। পাতলা বেজেলের কারণে ফোনটি দেখতে আধুনিক ও স্টাইলিশ লাগে এবং হাতে ধরতেও বেশ সুবিধা হয়।
ফোনের সামনে রয়েছে Corning Gorilla Glass Victus 22 স্ক্রিন প্রোটেকশন, যা স্ক্র্যাচ, পড়ে যাওয়া ও ধাক্কা থেকে ফোনকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে IP68/IP69 রেটিং। এটি সম্পূর্ণ ধুলো প্রতিরোধ করে এবং 1.5 মিটার পানির নিচে 30 মিনিট পর্যন্ত ব্যবহারের সুবিধা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবিয়ে রাখা বা ব্যবহার করার জন্য উপযুক্ত নয়।
ফোনটি মূলত তিনটি কালারে পাওয়া যায়—Canyon Orange, Tundra Umber এবং Polar Glacier। প্রতিটি কালারগুলো আলাদা ধরনের লুক দেয়, যা বিভিন্ন ব্যবহারকারীর পছন্দের সাথে সহজে মানিয়ে যায়। বিশেষ করে Orange এবং Umber ভেরিয়েন্টে ভেগান লেদার ফিনিশ থাকায় ফোনটি হাতে ধরলে আরও প্রিমিয়াম অনুভূতি পাওয়া যায় এবং Glacier কালারটি একদম নরমাল কিন্তু প্রিমিয়াম লুক প্রদান করে।
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনটিতে 6.82 ইঞ্চির AMOLED ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় রঙগুলো খুবই উজ্জ্বল ও জীবন্ত লাগে এবং চোখে আরামদায়ক অনুভূতি পাওয়া যায়। স্ক্রিনটি পাতলা বেজেল দিয়ে তৈরি হওয়ায় ফোনটিকে আকর্ষণীয় ও আধুনিক দেখায়। ফোনের স্ক্রিন-টু বডি রেশিও প্রায় 94.6%, যা ব্যবহারকারীদেরকে আরও স্মুথ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

ফোনটির ডিসপ্লে সর্বোচ্চ 1800 নিট পিক ব্রাইটনেস পর্যন্ত উজ্জ্বল হতে পারে, ফলে বাইরে বা তীব্র রোদের মধ্যেও স্ক্রিন সহজে দেখা যায়। এই ডিসপ্লেতে 144Hz পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে, তাই স্ক্রলিং, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার এবং গেম খেলা–সবকিছু খুবই স্মুথ ও দ্রুত অনুভূত হয়। এছাড়া ফোনটিতে Corning Gorilla Glass Victus 2 স্ক্রিন প্রোটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা দৈনন্দিন ব্যবহারের সময় পড়ে যাওয়া বা হালকা ক্ষতি থেকে স্ক্রিনকে ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়।
ফোনটির স্ক্রিনের রেজোলিউশন QHD+ (1440×3120 পিক্সেল), যার মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও–র প্রতিটি ডিটেইল খুব স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ফলে ছবির গভীরতা ও টেক্সচার পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে। এই ধরনের উচ্চ রেজোলিউশন প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির ফোনে সাধারণত পাওয়া যায়, যা চোখের ওপর চাপ কমায় এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহার করলেও ব্যবহারকারীরা আরামদায়ক অভিজ্ঞতা পান।
ক্যামেরা
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনটির রিয়ারে পেন্টা ক্যামেরা সেটআপ ব্যবহার করা হয়েছে। এক নম্বর ক্যামেরা f/1.5 অ্যাপারচারের 200MP প্রাইমারি, যেখানে LED ফ্ল্যাশ, HDR এবং OIS ফিচার সাপোর্ট করে। এই ক্যামেরা রঙ ও ডিটেইল খুব ভালোভাবে ধারণ করে এবং পরিষ্কার ছবি তুলতে পারে। পাশাপাশি HDR ফিচার আলো ও ছায়ার ভারসাম্য ঠিক রাখে, ফলে ছবিগুলো আরও ন্যাচারাল দেখায় এবং OIS ফিচারে মাধ্যমে হাত কাঁপলেও ভিডিও তুলনামূলকভাবে স্থির ও স্মুথভাবে রেকর্ড করা যায়।
দুই নম্বর ক্যামেরাটি f/2.2 অ্যাপারচারের 200MP টেলিফটো, যা দূরের বস্তুকে বড় করে এবং স্পষ্টভাবে ছবি তুলতে পারে। তিন নম্বর ক্যামেরা f/3.5 অ্যাপারচারের 50MP আল্ট্রা টেলিফটো। এটি সাধারণ টেলিফটো ক্যামেরার চেয়ে অনেক উন্নত মানের, তাই এর মাধ্যমে আরও বেশি দূরের বস্তুকে জুম করে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে ছবি তোলা যায়।

চার নম্বর ক্যামেরা f/2.0 অ্যাপারচারের আল্ট্রা ওয়াইড, যা ল্যান্ডস্কেপ বা গ্রুপ ছবি তোলার জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। কারণ এর মাধ্যমে একসঙ্গে অনেক বেশি জায়গা ফ্রেমে ধরা যায়, ফলে বিস্তৃত দৃশ্য আরও সুন্দরভাবে ধারণ করা সম্ভব হয়। পাঁচ নম্বর ক্যামেরা হলো f/2.4 অ্যাপারচারের 3.2MP মনোক্রোম। এটি মূলত সাদা-কালো ছবি তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। ক্যামেরাতে যুক্ত আছে AI Color Correction, AI Video Stabilization, AI HDR, AI Zoom Optimization, AI Portrait Mode, AI Night Mode এবং AI Scene Enhancement ফিচার, যা ছবি ও ভিডিও–কে আরও উন্নত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
ফোনের রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে দিনের আলোতে ভিডিও করলে ফুটেজ খুব স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল দেখায়। দূরের বস্তু সহজেই পরিষ্কারভাবে ধরা পড়ে এবং রঙগুলোও বাস্তবসম্মত থাকে। আবার কম আলো বা রাতে OIS ও AI-ভিত্তিক প্রযুক্তির কারণে ভিডিও–তে ঝাঁকুনি কম হয় এবং ডিটেইলও ভালোভাবে ধরে রাখা যায়। এই ক্যামেরা দিয়ে 8K@30fps এবং 4K@30/60/120fps রেজোলিউশনে ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব হয়, ফলে ভিডিওগুলো আরও শার্প, স্মুথ এবং প্রফেশনাল মানের হয়ে ওঠে।
ফোনটির সামনে f/2.4 অ্যাপারচারের 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে খুবই স্পষ্ট ও ডিটেইলসমৃদ্ধ সেলফি তোলা যায়। এছাড়া ক্যামেরাতে HDR সাপোর্ট আছে, তাই আলো ও ছায়ার ভারসাম্য ঠিকভাবে বজায় থাকে, ফলে ছবিগুলো আরও উজ্জ্বল, পরিষ্কার এবং প্রাণবন্ত হয়।
রাতে পর্যাপ্ত আলো থাকলে ছবি তোলার সময় রং স্বাভাবিক দেখা যায়, আর মুখের ডিটেইল ভালোভাবে ফুটে ওঠে, ফলে ছবিগুলো আকর্ষণীয় লাগে। তবে আলো কম থাকলে ছবিতে কিছুটা ঝাপসা বা নরমভাব দেখা যেতে পারে। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে 4K30fps রেজোলিউশন পর্যন্ত ভিডিও ধারণ করা যায়। সব মিলিয়ে, এই ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ভ্লগিং এবং কনটেন্ট তৈরির জন্য বেশ কার্যকর ও উপযোগী।
সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনটি Android 16 ভিত্তিক ColorOS 16 অপারেটিং সিস্টেমে চলে। এতে স্মার্ট উইজেট, ডার্ক মোড এবং বিভিন্ন কাস্টমাইজেশন সুবিধা রয়েছে, যা ফোন ব্যবহারকে আরও সহজ করে। সফটওয়্যারটি দ্রুত ও স্মুথভাবে কাজ করতে পারে, তাই অ্যাপ চালানো বা একসাথে একাধিক কাজ করার সময় কোনো ল্যাগ অনুভূত হয় না। পাশাপাশি, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির দিক থেকেও এটি যথেষ্ট উন্নত। সব মিলিয়ে, ColorOS 16-এর আধুনিক ফিচারগুলো দৈনন্দিন ব্যবহারকে আরও সহজ, দ্রুত এবং সুবিধাজনক করে তোলে।

ফোনটিতে রয়েছে 3 ন্যানোমিটার ফেব্রিকশনে তৈরি Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর, যা 3.62 GHz থেকে 4.6 GHz পর্যন্ত ক্লক স্পীডে কাজ করে। সাথে আছে Adreno 840 GPU এবং 16GB র্যাম, ফলে উচ্চ মানের গেম, ভারী কাজ এবং এক সাথে একাধিক অ্যাপ চালানোর সময় খুবই স্মুথ পারফরম্যান্স পাওয়া যায়। এছাড়া প্রসেসরটি কম শক্তি ব্যবহার করে, তাই ব্যাটারি দীর্ঘ সময় চলতে পারে।
সিকিউরিটির জন্য ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে আল্ট্রাসনিক ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক ফিচার। পাশাপাশি কানেক্টিভিটির জন্য এই ফোনে Bluetooth 6.0, USB চার্জিং, 5G নেটওয়ার্ক, Wi-Fi 7 এবং NFC সাপোর্ট করে। ফোনে AI-ভিত্তিক কিছু ফিচার যুক্ত আছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর কাজগুলো সহজ করে এবং ফোনের পারফরম্যান্স স্থিতিশীল রাখে।
ব্যাটারি লাইফ এবং চার্জার
Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোনে 7050mAh বড় ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। ব্যাটারি লাইফ পরীক্ষা করার জন্য আমি এই ফোনটি ব্যবহার করে দেখেছি। ফোনটিতে 100% চার্জ করে হাই সেটিংস এবং ব্রাইটনেস বেশি দিয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টার মতো ফ্রি ফায়ার গেম খেলা গেছে আর সাধারণ ব্যবহার যেমন কলে কথা বলা, ভিডিও দেখা এবং হালকা মাঝারি গেম খেলার ক্ষেত্রে ফোনটি প্রায় ২ দিনের বেশি চলেছে।

দ্রুত চার্জ করার জন্য ফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে 100W ফাস্ট চার্জিং। সাথে রয়েছে 50W ওয়্যারলেস চার্জিং, যা ক্যাবল ছাড়াই ফোনকে দ্রুত চার্জ করতে সাহায্য করে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ফোনের ব্যাটারি এবং দুই ধরনের চার্জিং সুবিধার জন্য ব্যবহারকারী দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করতে পারে, বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা হয়না এবং ফোনটি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশে আনঅফিশিয়াল দাম
প্রিমিয়াম বাজেটের মধ্যে শক্তিশালী ফিচার নিয়ে Oppo Find X9 Ultra স্মার্টফোন বাংলাদেশে আনঅফিশিয়ালি শুধুমাত্র একটি ভ্যারিয়েন্টে এসেছে। ফোনের (16GB র্যাম+512GB স্টোরেজ) ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় ২,১০,০০০ টাকা। ফোনটি আকর্ষণীয় তিনটি কালারে রয়েছে Tundra Umber, Canyon Orange এবং Polar Glacier। বর্তমানে এই ফোন বাংলাদেশের রিটেইলার শপ বা দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।
Oppo Find X9 Ultra আপনার কেনা উচিত হবে কি?
ফোনটির সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় ফিচার হলো ক্যামেরা। এই ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী 200+200+50+50+3.2MP রেয়ার ক্যামেরা, যার মাধ্যমে ছবি তুললে ছবিগুলোতে অনেকটা DSLR ক্যামেরার মতো শার্প ও প্রফেশনাল লুক পাওয়া যায়। পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিংও অত্যন্ত উন্নত ও প্রফেশনাল মানের হয়। এছাড়া Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসর খুবই উচ্চ মানের পারফরম্যান্স দেয়, 7050mAh বড় ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা নিশ্চিত করে এবং AMOLED ডিসপ্লে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে। সব মিলিয়ে, আপনি যদি ফটোগ্রাফি পছন্দ করেন বা শক্তিশালী পারফরম্যান্সের একটি ফোন চান, তাহলে এটি আপনার জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
Related Reviews
View More
Realme Narzo Power 5G রিভিউ: মিড-রেঞ্জ ফোনে পারফরম্যান্সের আসল চিত্র
মিড-রেঞ্জের মধ্যে চমৎকার ডিজাইন এবং উন্নত মানের ফিচার নিয়ে বাংলাদেশে আনঅফিশিয়ালি এসেছে Realme Narzo...
Helio 22 4G রিভিউ: মাত্র ১২,৯৯৯ টাকার স্মার্টফোনে কেমন পারফরম্যান্স পাওয়া যায়?
সাশ্রয়ী দামে বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়ালি লঞ্চ হয়েছে Helio 22 4G স্মার্টফোন। ফোনটিতে রয়েছে Unisoc T72...
Honor 600 Lite রিভিউ: মিড রেঞ্জের ফোন হিসেবে কতটা ভ্যালু দেয়?
যারা মিড রেঞ্জের মধ্যে চমৎকার ডিজাইন নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আনঅফিশিয়ালভাবে এসেছে Honor 600 Lite স্মা...