Realme 16 Pro Plus রিভিউ: মিড-রেঞ্জ বাজেটের এই স্মার্টফোন কি সত্যিই প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে থাকবে?
Realme 16 Pro Plus রিভিউ: মিড-রেঞ্জ বাজেটের এই স্মার্টফোন কি সত্যিই প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে থাকবে?
- 144Hz রিফ্রেশ রেট
- 7000mAh ব্যাটারি
- 200MP রেয়ার ক্যামেরা
- IP66/68/69K রেটিং
- Snapdragon 7 Gen 4 প্রসেসর।
- Snapdragon 7 Gen 4 প্রসেসর।
- Snapdragon 7 Gen 4 প্রসেসর।
প্রিমিয়াম লুক ও আকর্ষণীয় ডিজাইন নিয়ে Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনটি বাংলাদেশে এসেছে। যারা মিড-রেঞ্জ বাজেটে দৈনন্দিন কাজ, সোশ্যাল মিডিয়া, ক্যামেরা ও গেমিং—সব মিলিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা চান, তাদের কথা মাথায় রেখে ফোনটি তৈরি করা হয়েছে। ফোনটিতে রয়েছে 144Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থিত 4D Curve+ AMOLED ডিসপ্লে, যা ভিডিও দেখা, গেম খেলা বা সাধারণ ব্যবহার সবক্ষেত্রেই মসৃণ ও ভিজুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী 200MP রেয়ার ক্যামেরা, যা খুব সহজেই ফটোগ্রাফারদের নজর কাড়ে। এছাড়া দ্রুত ও স্মুথ পারফরম্যান্সের জন্য ফোনটিতে রয়েছে Qualcomm Snapdragon 7 Gen 4 প্রসেসর। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক ফোনের ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি, ক্যামেরা, পারফরম্যান্স, ব্যাটারি এবং মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত।
Realme 16 Pro Plus ফোনের শক্তিশালী ফিচারসমূহ
- প্রসেসর: Qualcomm Snapdragon 7 Gen 4 প্রসেসর।
- ডিসপ্লে: 6.8 ইঞ্চি 4D Curve+ AMOLED স্ক্রিন এবং 144Hz রিফ্রেশ রেট।
- ব্যাটারি ও চার্জার: 7000mAh ব্যাটারি এবং 80W ফাস্ট চার্জিং।
- বিল্ড: IP66/68/69K রেটিং এবং Corning Gorilla Glass 7i প্রটেকশন।
- ক্যামেরা: 200MP প্রাইমারি, 50MP টেলিফটো এবং 8MP আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা
বাক্সে যা থাকছে
Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনের বক্স খুললে ভেতরে যেসব জিনিস পাওয়া যায় সেগুলো হলো:
- Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোন
- 80W ফাস্ট চার্জার
- USB টাইপ-সি ক্যাবল
- Protective Case
- সিম ইজেক্টর টুল
- ইউজার ম্যানুয়াল
বক্সের মধ্যে রিয়েলমি সবকিছু সুবিধাজনকভাবে সাজিয়েছে। বক্সে আপনি পাবেন Realme 16 Pro Plus ফোন, 80W ফাস্ট চার্জার, USB টাইপ-সি ক্যাবল, সিম ইজেক্টর টুল,ইউজার ম্যানুয়াল এবং ফোন সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রোটেক্টিভ ব্যাক কভার। আলাদা করে কিছু কিনতে হবে না। শুধু বক্স খুলেই আপনি ব্যবহার শুরু করতে পারবেন।
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Realme 16 Pro Plus ফোনটি প্রথম দেখাতেই প্রিমিয়াম লুক দেয়। ফোনের পেছনের প্যানেলও প্রিমিয়াম মানের এবং চকচকে রঙে তৈরি। ফোনটির বডিতে অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা হাতে ধরেলে শক্ত ও টেকসই মনে হয়।

স্মার্টফোনের উচ্চতা 162.5 মিমি এবং প্রস্থ 76.3 মিমি। ফোনের পুরুত্ব 8.1 মিমি (Camellia Pink) আর 8.5 মিমি ( Master Grey, Master Gold) এবং ফোনটির ওজন 198 গ্রাম হলেও, এতে পর্যাপ্ত পরিমান ভারসাম্য রাখা হয়েছে। ফোনের চারপাশের কোণগুলো মসৃণ হওয়ায় ফোনটি হাতের তালুতে সহজে ধরে রাখা যায় এবং দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলেও ভারী মনে হয় না। তাই দৈনন্দিন কাজ যেমন কল করা, মেসেজ পাঠানো, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার এবং ভিডিও দেখা— সব কিছুই আরামদায়কভাবে করা যায়।
ফোনের সামনে ও পেছনে রয়েছে Corning Gorilla Glass 7i প্রটেকশন। এটি ছোটখাটো ধাক্কা, স্ক্র্যাচ বা হালকা পড়ে যাওয়া থেকে গ্লাসকে সুরক্ষা দেয়। ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 4D Curve+ AMOLED ডিসপ্লে, যা মসৃণ এবং আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করে। ফোনের ক্যামেরা মডিউল উপরের বাম কোণে রাখা হয়েছে, তাই ফোনটির ডিজাইন দেখতে চমৎকার এবং আধুনিক মনে হয়।
ফোনটিতে শক্তিশালী IP66/68/69K রেটিং দেওয়া হয়েছে, যা ফোনকে সর্বোচ্চ 30 মিনিট পর্যন্ত পানির নিচে ব্যবহার করার সুবিধা দেয় এবং উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার স্প্রেও সহ্য করতে পারে। সব মিলিয়ে বলা যায়, Realme 16 Pro Plus ফোনটি স্টাইল ও টেকসই ব্যবহারের মধ্যে একটি চমৎকার ভারসাম্য রাখে। দেখতে আধুনিক, হাতে ধরতে আরামদায়ক। এছাড়া মজবুত ডিজাইনের এই ফোনটি দৈনন্দিন ব্যবহারের সময়ও ভালো সুরক্ষা প্রদান করে।
ডিসপ্লে এবং মাল্টিমিডিয়া
Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে 6.8 ইঞ্চির 4D Curve+ AMOLED ডিসপ্লে। ডিসপ্লেটি খুব পাতলা বেজেল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, তাই স্ক্রিনটি দেখতে অনেক বড় মনে হয়। এছাড়াও, ডিসপ্লেতে সর্বোচ্চ 144Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে, ফলে স্ক্রল করা, গেম খেলা বা যেকোনো অ্যানিমেশন আরও মসৃণ, স্পষ্ট এবং দ্রুত হয়।

ফোনটির স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও 91.35%, ফলে ভিডিও বা সিনেমা দেখার সময় ছবি আরও প্রাকৃতিক এবং স্পষ্ট মনে হয়। এই স্ক্রিন 6500nits পিক ব্রাইটনেস পর্যন্ত উজ্জ্বল হতে পারে, তাই বাইরে বা তীব্র রোদে স্ক্রিন দেখা সহজ হয় এবং ভিডিও বা ওয়েবপেজ আরও পরিষ্কার দেখা যায়। স্ক্রিনে রয়েছে মজবুত ও স্ক্র্যাচ-প্রতিরোধী Corning Gorilla Glass 7i প্রটেকশন, যা দৈনন্দিন ছোটখাটো ক্ষতি, স্ক্র্যাচ বা হালকা পড়ে যাওয়া থেকে ফোনকে ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়।
ফোনের স্ক্রিনে FHD+ (1280x2800 পিক্সেল) রেজোলিউশন সাপোর্ট করে, ফলে ছবি ও ভিডিও স্পষ্ট এবং পরিষ্কার দেখা যায়। গেম খেলার সময় স্ক্রিনের রঙ আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মনে হয়। পাশাপাশি বড় স্ক্রিনের কারণে চোখে আরাম লাগে এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলেও চোখে কোন ধরনের চাপ পড়ে না। উচ্চ রেজোলিউশনের কারণে ভিডিও, ছবি বা গেম খেলার অভিজ্ঞতা আরও বাস্তব এবং আনন্দদায়ক হয়।
ক্যামেরা
Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনের রেয়ারে ব্যবহার করা হয়েছে f/1.8 অ্যাপারচারের 200MP প্রাইমারি ক্যামেরা, যেখানে LED ফ্ল্যাশ, HDR এবং OIS ফিচার সাপোর্ট করে। এই ক্যামেরা কালার ও ডিটেইল ভালোভাবে ধরে রেখে স্পষ্ট ছবি তুলতে পারে। কামেরার HDR ফিচার আলো‑ছায়ার ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে, ফলে ছবি আরও প্রাকৃতিক দেখায় এবং OIS ফিচার থাকার কারণে হাত নড়াচড়া করে ভিডিও রেকর্ড করলেও তা মসৃণ হয়।
পাশাপাশি 3.5× অপটিক্যাল জুম সমর্থিত f/2.8 অ্যাপারচারের 50 MP টেলিফটো ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, এর মাধ্যমে দূরের বস্তুর ছবিও বড় এবংপরিষ্কারভাবে তোলা যায়। সাথে রয়েছে 8MP আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা। এই কামেরাতে বেশ কিছু AI ফিচার সাপোর্ট করে। যেমন Vibe Master Mode, AI LightMe, AI Framing Master, AI StyleMe এবং AI Edit Genie, যা ছবি ও ভিডিওকে আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত করে তোলে।

ভিডিওর ক্ষেত্রে, দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করলে খুব স্পষ্ট, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হয়, দূরের বস্তুর ছবিও ভালো দেখা যায় এবং রঙ স্বাভাবিক থাকে। রাতে বা কম আলোতেও OIS এবং AI লাইটিং ফিচারের কারণে ভিডিও তুলনামূলকভাবে ঝাপসা কম হয় এবং ডিটেলস ভালো থাকে। স্ক্রল বা হাঁটার সময়ও ভিডিও মসৃণ হয়। এমনকি এই ক্যামেরা দিয়ে 4K 60fps রেজোলিউশনে ভিডিও রেকড করা যায়, তাই ভিডিও দেখতে অনেক সুন্দর এবং প্রফেশনাল মানের লাগে।
ফোনের সামনে ব্যবহার করা হয়েছে 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা, যা দিনে স্বাভাবিক আলোতে সুন্দর সেলফি তুলতে পারে। ছবির রঙ প্রাকৃতিক থাকে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা বা ভিডিও কলের জন্য এটি বেশ উপযোগী। সব মিলিয়ে বলা যায়,
ফ্রন্ট ক্যামেরা সাধারণত দৈনন্দিন সেলফির জন্য ভালো—দিনের আলোতে তোলা ছবি পরিষ্কার হয় এবং ছবির কালারও ভালো থাকে। তবে কম আলোতে, ডায়নামিক রেঞ্জের সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং মাঝে মাঝে AI প্রসেসিং অতিরিক্ত হওয়ায় কিছু ব্যবহারকারী অসন্তুষ্ট বোধ করতে পারেন।
সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স
Realme 16 Pro Plus ফোনটি Android 16 ভিত্তিক Realme UI 7.0 অপারেটিং সিস্টেমে চলে। নতুন এই ইন্টারফেস ব্যবহারকারীদের আরও মসৃণ, দ্রুত এবং স্মার্ট অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এতে কাস্টমাইজেশন অপশন, স্মার্ট শর্টকাট কন্ট্রোল, স্মার্ট নোটিফিকেশন এবং অ্যাপ লক সুবিধা রয়েছে। Android 16–এর সর্বশেষ সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি ফিচার ফোনকে নিরাপদ রাখে, ফলে ব্যবহারকারীরা ফোনটি সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদভাবে ব্যবহার করতে পারবে।

ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে Qualcomm Snapdragon 7 Gen 4 প্রসেসর। 4 ন্যানোমিটার ফেব্রিকশনে তৈরি এই চিপসের ক্লক স্পীড সর্বোচ্চ 2.4 GHz থেকে 2.8 GHz পর্যন্ত, যা দৈনন্দিন কাজ, উচ্চ মানের গেম এবং মাল্টিটাস্কিংয়ে দ্রুত পারফরম্যান্স প্রদান করে। তবে খুব ভারী গেম বা একাধিক অ্যাপ একসাথে চললে মাঝে মাঝে ফ্রেম ড্রপ বা সামান্য ল্যাগ দেখা দিতে পারে। যদিও এই চিপসেট খুব একটা খারাপ নয়, তবে এই বাজেটে আরও ভালো প্রসেসর দেওয়া যেত।
ফোনটিতে রয়েছে 8GB ও 12GB র্যাম এবং 256GB বড় স্টোরেজ, যা অনেক ছবি, ভিডিও এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। সব মিলিয়ে বলা যায়, Realme 16 Pro Plus ফোনের সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স মিড লেভেল ব্যবহারকারীদের জন্য যথেষ্ট ভালো। অ্যাপ চালানো, ভিডিও দেখা, গেম খেলা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে ফোনটি মসৃণভাবে কাজ করে।
ব্যাটারি লাইফ এবং চার্জার
Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনটিতে রয়েছে বিশাল 7000mAh ব্যাটারি, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দেয়। কোম্পানি দাবি করেছে, ফোনে 100% চার্জ করলে প্রায় 9.3 ঘণ্টা গেম খেলা যাবে, ২১ ঘণ্টা ইউটিউব দেখা যাবে এবং 6 বছর পর্যন্ত এই ব্যাটারি স্থায়ী পারফরম্যান্স প্রদান করবে। তবে বাস্তবে আমি ফোনটিতে 100% চার্জ করে প্রায় ৮ ঘণ্টা গেম খেলেছি আর সাধারণ ব্যবহারে ফোনটি প্রায় ২ দিনের মতো চলেছে।

দ্রুত চার্জ করার জন্য ফোনটিতে 80W ফাস্ট চার্জিং দেওয়া হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে, Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোনের বড় ব্যাটারি ও ফাস্ট চার্জিং ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের সুবিধা দেয়। ফলে ঘন ঘন চার্জ দেওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং দৈনন্দিন কাজে ফোনটি আরও নির্ভরযোগ্য ও ব্যবহারবান্ধব হয়ে ওঠে।
মূল্য
মিড-রেঞ্জের মধ্যে শক্তিশালী ফিচার নিয়ে Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোন বাংলাদেশে আনঅফিশিয়ালভাবে দুইটি ভ্যারিয়েন্টে এসেছে। ফোনের (8GB র্যাম+256GB স্টোরেজ)- এর দাম ৫২,০০০ টাকা এবং(12GB র্যাম+256GB স্টোরেজ) ভ্যারিয়েন্টের দাম ৫৬,৫০০ টাকা। ফোনটি আকর্ষণীয় তিনটি কালারে রয়েছে Master Gold, Orchid Purple এবং Pebble Grey। বর্তমানে এই স্মার্টফোনটি বাংলাদেশের রিটেইলার শপে পাওয়া যাচ্ছে।
Realme 16 Pro Plus কেন কিনবেন
Realme 16 Pro Plus স্মার্টফোন প্রিমিয়াম লুক, ভালো ক্যামেরা, বড় ব্যাটারি, উন্নত ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্সের সমন্বয়ও প্রদান করে। ফলে সাধারণ ব্যবহার, ওয়েব ব্রাউজিং, সোশ্যাল মিডিয়া, ভারী গেমিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং নানা কাজে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য। তবে এই বাজেটে চাইলে আরো ভালো প্রসেসর দেয়া যেত। সব মিলিয়ে বলা যায়, ফোনটি স্মার্ট ব্যবহারকারীদের ভালো পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম। বিশেষ করে যারা গেম বা ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প।
সোর্স: এখানে ক্লিক করুন
Related Reviews
View More
Infinix Note Edge রিভিউ: কেন কিনবেন এই স্মার্টফোন
মিড-রেঞ্জের মধ্যে উন্নত মানের ফিচার নিয়ে ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়ালি লঞ্চ হয়...
Oppo Reno15 F রিভিউ: মিড-রেঞ্জের এই স্মার্টফোন কি সত্যিই সেরা
বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়েছে OPPO Reno15 F স্মার্টফোন। যারা মিড-রেঞ্জের মধ্যে ভালো পা...
Xiaomi Redmi Note 15 রিভিউ: লো-মিড রেঞ্জের মধ্যে এই স্মার্টফোন কি সত্যিই সেরা
বাংলাদেশের বাজারে লো-মিড রেঞ্জের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়েছে Xiaomi Redmi Note 15 স্মার্টফোন। ফো...