সরকারের দেওয়া ৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ডের প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) সিস্টেম চালুর ঘোষণা দিয়েছে। বিটিআরসির এই সিদ্ধান্তকে মোবাইল ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের স্বার্থরক্ষার অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সোমবার ২৯ ডিসেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) জানিয়েছে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ব্যবসায়ীদের ৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়ার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীদের নিরবচ্ছিন্ন পণ্য সংগ্রহ ও ব্যবসা পরিচালনার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল এবং আরো বলেছিলো যে, এই সময় নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকা কোনো ডিভাইস ভবিষ্যতে বিচ্ছিন্ন করা হবে না। যদিও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বিষয়টি এখনো অফিশিয়ালি নিশ্চিত করেনি।
সংগঠনটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ ডিসেম্বর বিটিআরসি হঠাৎ মাত্র ১৫ দিনের সময় দিয়ে এনইআইআর চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যা সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। সর্বশেষ ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর চালুর ঘোষণার মাধ্যমে সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। এমবিসিবি জানিয়েছে, এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তের পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের স্বার্থরক্ষার বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এই বিষয়ে এমবিসিবির সভাপতি মোহাম্মাদ আসলাম জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোবাইল বাজার নিয়ন্ত্রণে এনে কয়েকটি সিন্ডিকেটভুক্ত প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া সুবিধা নিশ্চিত করতেই পরিকল্পিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। যার ফলে প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসায়ী দুর্দশাগ্রস্ত হচ্ছে এবং লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা আরো ঝুঁকিতে পড়ছে।
সোর্স: ঢাকা মেইল