বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ বা ব্লক করার ঘটনা নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি রাশিয়ান সরকারও তাদের নিজস্ব মেসেজিং অ্যাপ চালুর লক্ষ্যে হোয়াটসঅ্যাপের সেবা বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে যোগাযোগ সচল রাখা এবং ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প অ্যাপগুলো সম্পর্কে জানা জরুরি। চলুন দেখে নেওয়া যাক হোয়াটসঅ্যাপের মতো শক্তিশালী সিকিউরিটি সুবিধা দেওয়া পাঁচটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ:
১. ভাইবার: দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত এই অ্যাপটি এখনো জনপ্রিয়। এতে বার্তা গোপন রাখার ব্যবস্থা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা মুছে ফেলার অপশন এবং বড় গ্রুপ চ্যাট করার সুবিধা রয়েছে। তবে ফ্রি কল করতে হলে উভয় ব্যবহারকারীর ফোনে এই অ্যাপটি থাকতে হবে।
২. টেলিগ্রাম: টেলিগ্রাম হলো একটি চ্যাট অ্যাপ, যা নিরাপদে বার্তা পাঠানো এবং বড় গ্রুপে আলাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে আপনি টেক্সট, ছবি, ভিডিও বা বড় ফাইল পাঠাতে পারেন। পাশাপাশি বড় গ্রুপ চ্যাট এবং পাবলিক বা প্রাইভেট চ্যানেলে যোগ দেওয়াও সম্ভব হয়। গোপন চ্যাটে বার্তা লুকানো থাকে, তাই শুধু যাকে পাঠানো হয়, সে দেখতে পারে।
৩. সিগন্যাল: প্রাইভেসি সচেতন মানুষদের জন্য এই অ্যাপটি খুবই নিরাপদ। মেসেজ ও কল দুটোই গোপন রাখা থাকে এবং ব্যবহারকারীর কোনো তথ্য সংরক্ষণ করা হয় না। অনেকেই ব্যক্তিগত আলাপের জন্য হোয়াটসঅ্যাপের পাশাপাশি এটা ব্যবহার করেন।
৪. ওয়ার: ওয়ার হলো একটি নিরাপদ চ্যাট এবং কল করার অ্যাপ। এতে আপনি বার্তা, ছবি, ভিডিও বা বড় ফাইল পাঠাতে পারেন এবং বড় গ্রুপ চ্যাটেও যোগ দিতে পারেন। এছাড়া অ্যাপ ব্যবহারকারীদের মধ্যে ফ্রি ভয়েস ও ভিডিও কল করা যায়। সব বার্তা এবং কল লুকানো থাকে, তাই যার কাছে কল বা ম্যাসেজ পাঠানো হয়, শুধুমাত্র তার ফোনে দেখা বা শোনা যায়। মোবাইল, ট্যাবলেট এবং কম্পিউটারে একসাথে ব্যবহার করা যায়।
৫. থ্রিমা: থ্রিমা হলো একটি নিরাপদ চ্যাট অ্যাপ, যা ব্যক্তিগত বার্তা পাঠানো এবং কল করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে আপনি টেক্সট, ছবি, ভিডিও বা অডিও বার্তা পাঠাতে পারেন। সব বার্তা এবং কল লুকানো থাকে, তাই শুধু বার্তা যাকে পাঠানো হয়, সে দেখতে বা শুনতে পারে। এই অ্যাপের অ্যাকাউন্ট ই-মেইল বা ফোন নম্বর ছাড়া ব্যবহার করা যায়।