পেটেন্ট বলছে এলজি স্বচ্ছ ভাঁজযোগ্য ডিসপ্লে তৈরি করছে
পেটেন্ট বলছে এলজি স্বচ্ছ ভাঁজযোগ্য ডিসপ্লে তৈরি করছে
পেটেন্ট বলছে এলজি স্বচ্ছ ভাঁজযোগ্য ডিসপ্লে তৈরি করছে
পেটেন্ট বলছে এলজি স্বচ্ছ ভাঁজযোগ্য ডিসপ্লে তৈরি করছে


ডিসপ্লে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলি অনবরত আরও উন্নত কিছু তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অন্যতম প্রচেষ্টা হলো ওএলইডি প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং বাঁকানো প্যানেল তৈরি করা। এর মধ্যে সম্পূর্ণ ভাঁজ করা যায় এমন ডিসপ্লের উদ্ভাবনকে তারা সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এমন স্ক্রিন স্মার্টফোনের জগতে একটি বড় আলোড়ন সৃষ্টি করবে তাতে সন্দেহ নেই। আর তাই সবগুলি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে ক্রমাগত প্রতিযোগিতা চলছে। ২০১৪ সালে আমরা ভাঁজ করা যায় এমন এক ধরণের ডিসপ্লের ডেমো পেয়েছিলাম। তখন বলা হয়েছিল ২০১৫ এর মধ্যে এই বৈশিষ্ট্যের ডিসপ্লে হাতে পাওয়া যাবে। তবে কোম্পানিগুলির পক্ষে সে প্রতিশ্রুতি পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

একই সময়ে এলজি কাছাকাছি কিছু করার সম্ভাবনাও দেখিয়েছিল। সম্প্রতি তারা একটি নতুন ডিসপ্লের পেটেন্ট নিয়েছে। এ থেকেই আবার প্রত্যাশা জেগেছে যে, ২০১৭ সালের মধ্যে সত্যিই আমরা ভাঁজযোগ্য ডিসপ্লে পেতে চলেছি। অবশ্য এ সম্পর্কে এই মূহুর্তে দেয়ার মতো বিস্তারিত কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই। কিন্তু আগের একটি খবরের সাথে মিলিয়ে বলা যায় যে, এলজি শুধুমাত্র ভাঁজ করা যায় এমন ডিসপ্লে নয়, তারা একই সাথে স্বচ্ছ ও স্পর্শে প্রতিক্রিয়া দেখায় এমন সব গুনের ডিসপ্লে আবিস্কারের চেষ্টায় রত আছে।

সব কিছু বিশ্লেষণ করে মনে হয় এলজি ভাঁজ করা যাবে এমন একটি বইয়ের আকারের ডিভাইস তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এর বাঁদিকের অর্ধেক অংশ হবে স্বচ্ছ ও তাতে থাকবে স্পর্শকাতর স্ক্রিন। বা দিকের অংশটি মাল্টিমিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করবে যা দিয়ে ডান দিকের অংশের বিষয়বস্তুর প্যানেল নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সে অংশটি স্বচ্ছ হবে না । হয়তো স্বচ্ছ না হওয়ার কারণেই তা থেকে বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। আরেকটি মজার বিষয় হতে পারে যে, টাচস্ক্রিন অংশটি হয়তো উভয় পাশের সাথে সংযোগ স্থাপন করার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

তবে যা-ই হোক না কেন, এই প্রযুক্তিটির সর্বশেষ কী সুবিধা আমরা পেতে যাচ্ছি তা সময় না গেলে বলা যাবে না।